দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বাংলাহিলি সরকারি খাদ্য গুদামে (এলএসডি) বোরো মৌসুমে ধান সংগ্রহে অনিয়ম ও সিন্ডিকেটের অভিযোগের অনুসন্ধান করতে গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন এক সাংবাদিক।
জিডি করেছেন জাতীয় দৈনিক প্রতিদিনের বাংলাদেশ ও মুভিবাংলা টেলিভিশন-এর হিলি প্রতিনিধি এবং হাকিমপুর প্রেসক্লাবের কার্যকরী কমিটির সদস্য মো. মোকছেদুল মমিন (মোয়াজ্জেম)। মঙ্গলবার রাতে হাকিমপুর থানায় তিনি জিডির আবেদন করেন।
জিডিতে সাংবাদিক মোকছেদুল মমিন উল্লেখ করেন, চলতি বোরো মৌসুমে সরকার প্রকৃত কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহের জন্য অনলাইনে আবেদন আহ্বান করলেও একটি চক্র কৃষক নন এমন ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র ও মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে কৃষকের নামে আবেদন জমা দেয়। একই মোবাইল নম্বর একাধিক কৃষকের আবেদনে ব্যবহারের অভিযোগও তার অনুসন্ধানে উঠে এসেছে।
জিডির তথ্যমতে, অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের অংশ হিসেবে গত ২১ জুলাই বিকেল ৫টা ২৬ মিনিটে কৃষক তালিকায় থাকা আবুল কাশেম মণ্ডলের মোবাইল নম্বরে ফোন করেন তিনি। প্রায় ৩৪ সেকেন্ডের কথোপকথনে ওই ব্যক্তি নিজেকে খাদ্য গুদামে প্রায় তিন মেট্রিক টন ধান সরবরাহকারী বলে জানান।
এর প্রায় ১২ মিনিট পর একই নম্বর থেকে তার মোবাইলে কল আসে। ফোন রিসিভ করার পর পরিচয় না দিয়ে এক ব্যক্তি অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন এবং প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে জিডিতে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে তিনি ও ঘটনাস্থলে উপস্থিত অন্য সাংবাদিকরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।
পরে খোঁজ নিয়ে হুমকিদাতা হিসেবে মো. সাখাওয়াত হোসেন (ডিলার সাখো) নামে এক ব্যক্তির পরিচয় জানতে পারেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়। সেখানে দাবি করা হয়, তিনি বাংলাহিলি বাজারে সরকারি খাদ্য গুদামের ধান-চাল কেনাবেচার সঙ্গে জড়িত। অতীতে সরকারি চাল অবৈধভাবে মজুদ ও কেনাবেচার অভিযোগেও তার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে জানতে পেরেছেন বলে জিডিতে উল্লেখ করেছেন সাংবাদিক।
সাংবাদিক মোকছেদুল মমিন বলেন, সংবাদ সংগ্রহ ও সহকর্মীদের সঙ্গে পরামর্শের কারণে অভিযোগ দায়ের করতে কিছুটা সময় লেগেছে। তিনি কল রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট কৃষক তালিকার কপিও থানায় জমা দিয়েছেন।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
জিডিতে ঘটনার সাক্ষী হিসেবে দৈনিক ইনকিলাব-এর হিলি প্রতিনিধি মো. মোসলেম উদ্দিন, দৈনিক যায়যায়দিন-এর হাকিমপুর প্রতিনিধি রমেন বসাক, দৈনিক সমকাল-এর হাকিমপুর প্রতিনিধি মো. আবু মুসাসহ আরও কয়েকজন সাংবাদিকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
যে আই